1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :

নওগাঁর আত্রাই ভেজাল প্রসাধনীর অপ্রতিরোধ্য সাম্রাজ্য

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ সোহেল রানা জেলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই নওগাঁর আত্রাই গড়ে উঠেছে ভেজাল প্রসাধনীর অপ্রতিরোধ্য সাম্রাজ্য। সরে জমিনে দেখা যায় আত্রাই উপজেলার পাচুপুর ইউনিয়নের পাচুপুর গ্রামের শয়ন পাল দীর্ঘদিন যাবৎ পাল কসমেটিক্স নামে সিল্কি” ব্রান্ডে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে আসছে।

প্রথমে ০২ নং ভোপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত সৈয়দপুর (সদুপুর) গ্রামে আবাসিক এলাকায় চারতলা বিল্ডিং এর নিচতলায় কারখানা করে প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে। পরবর্তীতে বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে আর্থিক দন্ডে দণ্ডিত করে। তবুও অপ্রতিরোধ্য শয়ন পাল ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে সারা দেশব্যাপী পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করতে থাকে। কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, অনেকগুলো ড্রাম ভর্তি কেমিক্যাল কয়েকজন নারী কর্মী সেগুলো প্যাকেজিং করছে কিন্তু তাদের নেই কোন প্রশিক্ষণ। নেই কোন কেমিস্ট কিংবা কেমিক্যাল ল্যাব। চারটি প্রোডাক্টের বিএসটিআই লাইসেন্স থাকলেও শয়ন পাল ১৫ টির ও অধিক প্রোডাক্ট তৈরি করে।

বিএসটিআই রাজশাহী ও নওগাঁ অফিসে যোগাযোগ করলে কেমিস্ট ও ল্যাব ছাড়া কিভাবে লাইসেন্স গুলো দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। বর্তমানে শয়ন পাল বিভিন্ন চাপে পড়ে পাঁচুপূর চারমাথা সংলগ্ন নিজস্ব ভবনের নিচতলায় বহাল তবিয়তে ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি ও বিপণন করে যাচ্ছে। প্রসাধনী সামগ্রী গুলো ব্যবহার করে মানুষ প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে এবং বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সেই সাথে হচ্ছে প্রতারিত। সমাজের সচেতন মহলের দাবি, অনতিবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পাল কসমেটিকস এর নিয়ম বহির্ভূত কার্যকলাপ বন্ধ করে মানুষকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করা অতীব জরুরি। সেই সাথে শয়ন পাল এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া দরকার যেন ভবিষ্যতে এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করার সাহস কেউ না পায়।

একাধিকবার ভ্রাম্যমান আদালতে আর্থিক দন্ডে দণ্ডিত হয়েও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের প্রতারণা মূলক ভেজাল প্রসাধনী তৈরি করাতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে-কিভাবে সে দিনের পর দিন প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন নিয়ম-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :