1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদল! ক্ষমতা বদলেই ‘রঙ বদলের’ অভিযোগে এ.আর অনিককে ঘিরে তোলপাড় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মাত্র ১২ দিনে আত্রাইয়ে তিন মরদেহ উদ্ধার: আতঙ্কে জনপদ, বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ৩য় বিকেএসপি কাপ জিমন্যাস্টিকসে চ্যাম্পিয়ন বিকেএসপি সাংবাদিকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে আইজেএফের বিবৃতি, ক্ষমা চাওয়ার দাবি আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতার ফাঁদে নিঃস্ব তিন্নি: ২ সংসার ধ্বংসের পর টাকা-সোনা লুটে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম মিরপুর আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা থেকে শুরু করে নানা অভিযোগ; গ্রেফতারের দাবি সচেতন মহলের আত্রাই-রাণীনগর মহাসড়কে মোটরসাইকেল ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ,তিন ডাকাত গ্রেফতার;পলাতক আরও পাঁচজন সাভারে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা; স্বর্ণের চেইন ও টাকা লুট পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁ সদর থানার অভিযানে চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ১

আত্রাই দারোয়ান সবুজের কাছে জিম্মি মাদ্রাসা কমিটি, সুপার এর স্বেচ্ছাচারীতা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

মোঃ সোহেল রানা,জেলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:আত্রাই উপজেলার বিশা ইউনিয়নে অবস্থিত শ্রীধরগুড় নই দাখিল মাদ্রাসা দুর্নীতির এক অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম এর স্বেচ্ছাচারীতায় প্রতিষ্ঠানটি হারাতে বসেছে তার ঐতিহ্য। কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই শফিকুল ইসলাম ইচ্ছামত অবৈধ কাজ করে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদ্রাসায় দানকৃত তিনটি পুকুর ও ফসলি জমি থেকে প্রতি বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা আসে। কিন্তু সেই টাকাগুলো ম্যানেজিং কমিটি ও ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ শফিকুল ইসলামের পকেটে যায়।

শুধু তাই নয় তথ্য নিয়ে জানা যায় সরকারি অনুদানের টাকা ও সঠিকভাবে ব্যবহার না করে আত্মসাৎ করেন। মাদ্রাসাটিতে মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম সবুজ নামের এক যুবককে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এলাকাবাসী ও ম্যানেজিং কমিটির সাথে কথা বলে জানা যায়, যোগদান করার পর থেকে নিরাপত্তা কর্মী সবুজ তার দায়িত্ব পালন না করে ইচ্ছামতো চলাফেরা করে আসছে। তার ডিউটি প্রতিষ্ঠানটির গেট এ হলেও সে নিয়মিত কম্পিউটার রুমে বসে থাকে।

বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ম্যানেজিং কমিটির শরণাপন্ন হলে কমিটির সভাপতি মোঃ আক্তার হোসেন সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ ভারপ্রাপ্ত সুপার কে বিষয়টি জানায়। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত সুপার শফিকুল ইসলাম কোন গুরুত্ব দেন না। বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার ম্যানেজিং কমিটি রেজুলেশন পূর্বক মিটিং ডাকে। সেখানেও নিরাপত্তা কর্মী সবুজ ও ভারপ্রাপ্ত সুপার সবার সাথে বাজে আচরণ করে। এবং সবুজ বলতে থাকে আমার যা ইচ্ছা করব কারো ক্ষমতা থাকলে কিছু করেন। তারপর তো সুপারের নীরবতা প্রশ্নের জন্ম দেয়। নিরুপায় হয়ে ম্যানেজিং কমিটি সাবেক এমপি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল মহোদয়ের শরণাপন্ন হন। তাতেও বেপরোয়া সবুজ কে তার ডিউটিতে আনা সম্ভব হয়না। ম্যানেজিং কমিটি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে অবগত করলে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম, নিরাপত্তা কর্মী সবুজ এবং সভাপতিকে তলব করেন।সেই সাথে সবুজকে নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে দায়িত্ব পালন করতে বলেন।

তাতেও কোন কাজ হয় না। বরং মাদকাসক্ত নিরাপত্তা কর্মী সবুজ সভাপতি কে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করে থাকে। এবং জোর গলায় বলতে থাকে, কেউ আমার কিছুই ছিঁড়তে পারবে না। সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে তাকেও বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলে। এলাকাবাসীর দাবি একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মীর আচরণ যদি এমন হয় তাহলে প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের পাঠাবো কিনা ভাবতে হবে।ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসীর আকুল আবেদন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নিরাপত্তা কর্মী (দারোয়ান) সবুজ যেন তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :