1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
সংবাদ প্রকাশের পর আত্রাই বেলী ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু, স্বস্তি এলাকাবাসীর মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাণীনগরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আত্রাই নদীর তীরে বেদে পল্লীতে ঝড়ে প্রাণহানি—শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ, সহায়তার আশ্বাস প্রশাসনের আদালতের ‘অস্পষ্ট’ রায়কে ঢাল বানিয়ে পদোন্নতি ওহাব গ্রুপের সুবিধা, সরকারের ক্ষতি প্রায় ৫ কোটি টাকা মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে জব্বার – আজাদ ও এমারত সম্মিলিত পরিষদ পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নাটকীয় অভিযানে গ্রেফতার টিকা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশুর মৃত্যু—আত্রাইয়ে চাঞ্চল্য, প্রশ্নের মুখে টিকাদান কার্যক্রম ভুট্টা ক্ষেতে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা: কোলা গ্রামে চাঞ্চল্য, গ্রাম্য সালিশে মীমাংসা নওগাঁয় এক রাতেই পরিবারের সকল সদস্যদের জা’বাই করে হ’ত্যা

‘স্রষ্টার মৃত্যু’ বই বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘স্রষ্টার মৃত্যু’ শীর্ষক একটি বই বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। শনিবার সকাল ১১টায় ‘সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, লেখক মো. আমির হোসেন দেওয়ান তার বইয়ে ধর্মীয় স্রষ্টাদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, যা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে। এ সময় তারা অবিলম্বে বইটি বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং লেখকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, “এই বই শুধু একটি ধর্ম নয়, বরং সকল ধর্ম ও বিশ্বাসকে হেয় করেছে। এটি একটি স্পষ্ট উস্কানি, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।”
তারা আরও জানান, বইটির প্রকাশক ‘সব্যসাচী’ প্রকাশনাও এ দায় এড়াতে পারে না। বইটি প্রকাশ ও বাজারজাত করার পেছনে যাদের হাত রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার চেষ্টা বন্ধ করতে লেখালেখির নামে অবমাননাকর প্রকাশনার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি জরুরি। নইলে ভবিষ্যতে ধর্মীয় সহিংসতা উসকে দিতে পারে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।”
শেষে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “বইটি বাতিল ও লেখকের শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে আমরা আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”
প্রয়োজনে আপনি এতে ছবি, কিউআর কোড, উপশিরোনাম বা উদ্ধৃত বক্তব্য সংযুক্ত করে আরও যুগান্তর স্টাইলের ভিজ্যুয়াল ফরম্যাটেও সাজাতে পারেন। চাইলে সেটাও তৈরি করে দিতে পারি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :