আশুলিয়ায় সিএনএফ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী ক্যাডারের মিথ্যা মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক:গত ৩১ জুলাই মো. দেলোয়ার হোসেন মিন্টু (৩৫) কে প্রধান আসামী করে আশুলিয়া থানায় ৩২ জন সিএনএফ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের।
জানা যায় মামলার বাদী মো.ফখরুল ইসলাম (৩২) আশুলিয়া থানা আওয়ামীলীগের নেতা মো. সুমন ভূঁইয়ার সশস্ত্র ক্যাডার ছিল।
সুমন ভূঁইয়ার ক্যাডার এই পরিচয়ে বিগত স্বৈরাচারের শাসন আমলে ঢাকা রপ্তানী প্রক্রিয়াজাত করণ এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করে “কাস্টম সরকার ফেডারেশন” (সিএনএফ) ব্যবসা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত।ব্যবসায়ীরা কেউ তার মতের বাহিরে গেলেই তার উপর চালানো হত পাষবিক নির্যাতন।সেই সাথে নানা কৌশলে দেওয়া হত তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা।
হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর এখনো নতুন ইপিজেড এলাকায় অলৌকিক ক্ষমতার বলে সে এখনো ব্যবসা চালিয়ে আসছে বীরদর্পে।সে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দলোনের সরাসরি বিরোধীতা করে এবং ছাত্রদের উপর হামলা চালায় বলে ও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।কিন্তু এখনো অলৌকিক কোনো এক কারণে তার হত্যা মামলা হয়নি।আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিএনপির এক নেতার আর্শিবাদ নিয়ে DEPZ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।তার কথার বাহিরে গেলেই পূর্বের ন্যায় এখনো (সিএনএফ) ব্যবসায়ীদের উপর চালানো হয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন,সেই সাথে দেওয়া হয় মিথ্যা মামলা।
গত ৩০শে জুলাই রাত ১০ ঘটিকায় সিএনএফ ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেন (৫০),সিনিয়র সহ-সভাপতি সিএনএফ, পিতা মো. আবুল হোসেন,সাং পল্লীবিদ্যুৎ আশুলিয়া, ঢাকা, বলেন, আমার বাড়ীর পাঁচির টপকিয়ে ফখরুলসহ তার ১৫/২০ জন সশস্ত্র ক্যাডার প্রবেশ করে আমায় না পেয়ে আমার বাড়ীতে থাকা লোকজনদের নানা রকম ভয়ভীতি দেখায়,আমি যেনো ইপিজেডে ব্যবসা না করি এই মর্মে।
তারা ফেরার পথে হঠাৎ আমায় রাস্তায় দেখতে পেয়ে রাস্তা থেকে আমায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় তাদের একটি নির্জন গোডাউনে।সেখানে কয়েক ঘন্টা তারা আমায় আটকিয়ে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।আরও বলেন,আমি যদি ডিইপিজেড এ ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করি তাহলে আমায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে এলাকা ছাড়া করা হবে।সে সাথে আমায় ও আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হবে বলে হুমকি প্রদান করে ফখরুল।
অভিযুক্ত ফখরুল ইসলাম একজন চিন্থিত সন্ত্রাসী তাই তার হাত থেকে রক্ষা পেতে আমি নিকটস্থ আশুলিয়া থানায় হাজির হয়ে একটি জিডি- (৩১৯২) করি।
অভিযুক্ত ফখরুল আমাদের ইপিজেড এর ভেতর ব্যবসা করতে দিবে না।আর তাই সে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে আশুলিয়া থানায়।আমরা সিএনএফ ব্যবসায়ীরা এই চিন্থিত আওয়ামী সন্ত্রাসী ফখরুলের হাত থেকে মুক্তি চাই।
Leave a Reply