মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার অন্তর্গত আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নানের কাছে চাঁদা দাবি করেছেন সাংবাদিক পরিচয়ধারী দুই ব্যক্তি—তপন ও রুহুল আমিন। তারা দীর্ঘদিন ধরে আত্রাই প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বৈরাচার হাসিনা সরকারে শাসন আলমে তারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াত এলাকায়।সে সময় আওয়ামীলীগের কাছ থেকে অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে নিরীহ নিরপরাধ বিএনপি, জামায়াতের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী তোকমা দিয়ে সংবাদ প্রচার করত যার অজস্র তথ্য প্রমাণ এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি।শুধু তাই নয়, তিনি আরও বলেন এরা দুই জন আত্রাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।এরা মাস গেলেই সরকারী কোষাগার থেকে বেতন ভাতা তুলেন নেন কিন্তু নিয়মিত কখনো স্কুল করেন না।আওয়ামিলীগ সরকারের সময় এই তপন, রুহল অসংখ্য নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে তারপরও এরা এখনো এলাকায় ঘুরো বেড়াচ্ছে!এরা মূলত আওয়ামী দালাল হিসাবে বেশ সুপরিচিত এবং চিন্থিত এলাকায়।এরা স্কুল ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়ায় এই বিষয় গুলো দেখে ও না দেখার অভিনয় করে চলে স্থানীয় শিক্ষা অফিস।আমি/আমরা শিক্ষা অফিসাদের কাছে দাবি জানাই এদের নজরদারিতে রাখতে।
সম্প্রতি এ দুই ব্যক্তি একাধিকবার কৌশলে থানায় গিয়ে ওসির কাছে চাঁদার দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে বারবার চাপ প্রয়োগ করলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওসি আব্দুল মান্নান।
এ বিষয়ে আত্রাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, “আমি কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত নই। তাহলে কেন আমি তাদের চাঁদা দেবো? তারা বারবার এসে চাপ দিচ্ছে,দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকছে যা চরম বিব্রতকর।” উনাদের কারনে থানায় সেবা নিতে এসে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন সেবাগ্রহীতারা।
এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে যেমন অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি সচেতন মহলও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
আত্রাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এর তথ্য ভিত্তিতে গতকাল (২৫ আগস্ট) রাত্রি ৭:৫৫ মিনিটে তাদের থানার ভেতর পাওয়া যায়।পরবর্তীতে জানা যায় তারা চাঁদা নেওয়ার জন্য এসোছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তপন ও রুহুল দীর্ঘদিন ধরে ‘সাংবাদিক’ নাম ব্যবহার করে স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, হুমকি এবং ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। তারা প্রকৃত সাংবাদিক কিনা—এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
এ বিষয়ে আত্রাই প্রেসক্লাবের কোনো দায়িত্বশীলের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
আত্রাইয়ের সাধারণ মানুষ প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন—এসব ভুয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার।
Leave a Reply