নিজস্ব প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নের কোলা গ্রামে গত ২৩ মার্চ রোজ সোমবার একই গ্রামের মো.সিদ্দিক আকন্দ এর স্ত্রী মোছা. নার্গিস(৩৫) ও জহুরুল ইসলাম বিশু(৩৮) কে আপত্তিকর অবস্থায় ভুট্টা ক্ষেতে দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন একই গ্রামের মোছা. আরিফা।
তিনি বলেন, উক্ত জমিটি গ্রামের বসত বাড়ির অতি সন্নিকটে হওয়ার ফলে অনেক সময় নানা প্রয়োজনে তাদের এদিকে আসতে হয়।ওই দিন আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে আমি যখন ওই ভুট্টা ক্ষেতের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম তখন কিছু ভুট্টা গাছের অস্বাভাবিক নড়াচাড়া লক্ষ করি। অতঃপর কৌতুহলবশত আমি জমিটির একটু ভেতরে ঢুকলেই বিশু ও নার্গিসকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাই।
আমি তৎক্ষণাৎ গ্রামে ফিরে এসে মোছা. মিতু আক্তারকে সাথে নিয়ে আবারও সেই ভুট্টা ক্ষেতে এলে নার্গিস আমাদেরকে দেখে ফেলে এবং দ্রুত দুই জন দুই দিক দিয়ে পালিয়ে যায়।এ ব্যাপারে মিতু বলেন, বিশু ও নার্গিস উভয়ের ই দুইটি করে সন্তান আছে,তারা দীর্ঘদিন যাবৎ এই পরকীয়া প্রেমে আসক্ত,এই বিষয় নিয়ে তাদের সংসারে প্রায়শই অশান্তি লেগেই থাকতো।
সেই সময় আমি তাদের অশ্লীল অবস্থায় দেখতে পাই।পরবর্তীতে আমরা গ্রামে এসে গ্রাম্য প্রধানদের বিষয়টি অবগত করি।এ ব্যাপারে কোলা গ্রামের মাতব্বর মো. খলিল ফৌজদার বলেন, প্রত্যক্ষদর্শী আরিফা ও মিতু এসে আমাকে এই বিষয়ে অবগত করে। আমি বিষয়টি জানা মাত্রই একই গ্রামের আলতাফ প্রাং,আফাজ শেখ,আইয়ুব আলী,আমজাদ আকন্দ,বাবলু মন্ডলসহ আরো কয়েকজনকে অবগত করি।
বিষয়টির সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য নার্গিস ও বিশুর বাড়িতে খবর পাঠালে জানতে পারি তারা কেউ বাড়িতে নাই, সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের কোন খোঁজ পাইনা, এবং জানতে পারি তারা উভয়েই গা ঢাকা দিয়েছে।
কোলা গ্রামের আরও একজন মাতব্বর আলতাফ হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা জানার পর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিশু ও নার্গিসের সাথে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করি।কিন্তু কোন রকম যোগাযোগ পাওয়া যায় না।তাদের গা ঢাকা দেওয়ার নমুনা দেখে উপলব্ধি করা হয় যে তারা হয়তো লোকলজ্জার ভয়ে পালিয়ে গেছেন।
পরবর্তীতে নার্গিস এলাকায় ফিরে এসে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সমাজের কাছে ক্ষমা প্রার্থী হয়ে গ্রাম্য সালিশে আপস-মীমাংসা করলেও বিশু এখনো পর্যন্ত পলাতক।
Leave a Reply