1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ঘুরে দেখলেন ইউএনও মনিরুজ্জামান ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক কমিটি গঠন রানীনগরে অভিযান: বসতবাড়ি থেকে ৯.৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার নিম্নচাপের প্রভাবে আত্রাইয়ে টানা বৃষ্টির আশঙ্কা, বাড়তে পারে নদীর পানি ও জলাবদ্ধতা আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি, পানি নিষ্কাশনের অভাবে জলাবদ্ধতা,পানিবন্দি কয়েকটি পরিবার আত্রাইয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শেষে খিচুড়ি বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলে দেওয়া হলো মালোশিয়ার শ্রমবাজার মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: প্রবাসী সিরাজের উদ্যোগে আত্রাইয়ে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতি ঢাকার সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা, আতঙ্কের মাঝেই প্রতিবাদী মিছিল,আহত অন্তত-০৩

নিজ দলের নেতাদের হিংসা ও কোন্দলে দল ছাড়ছেন ত্যাগী কর্মীরা: রিফাত হাসান

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

আত্রাই প্রতিনিধি:আওয়ামীলীগের দীর্ঘ শাসনামলে মামলা, হামলা, গ্রেফতার ও নানামুখী নির্যাতনের মধ্যেও যারা রাজপথে থেকে দলের জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাদের অনেকেই এখন নিজ দলের কিছু নেতার হিংসা, প্রতিহিংসা ও অবমূল্যায়নের কারণে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন নওগাঁ জেলার অন্তর্গত আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিফাত হাসান।

সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, “আ.লীগের অত্যাচারে কোনো নেতা দল ছাড়েনি। কিন্তু আজ নিজ দলের কিছু নেতার হিংসা, গ্রুপিং ও ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতির কারণে অসংখ্য ত্যাগী, নিবেদিত ও সাহসী কর্মী দল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক এবং দলের জন্য অশনিসংকেত।”

সেই সাথে তিনি প্রতিবেদককে মুঠোফোনে অভিমান করে বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং বারবার ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থাকা কর্মীদের মূল্যায়ন না করে অনেক ক্ষেত্রে সুবিধাবাদী ও হঠাৎ আগত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

রিফাত হাসান আরও বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় শক্তি তার তৃণমূলের কর্মীরা। কিন্তু যখন সেই কর্মীরাই অবহেলা, ষড়যন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার হন, তখন সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির পথও সংকুচিত হয়ে যায়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন, তাদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দল থেকে ত্যাগী কর্মীদের সরে যাওয়ার প্রবণতা আরও বাড়বে, যা সংগঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হবে।”

দলের বৃহত্তর স্বার্থে অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও হিংসার রাজনীতি পরিহার করে ঐক্য, সহমর্মিতা এবং ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান এই ছাত্রদল নেতা।

তিনি নিজেও আ.লীগ দ্বারা একাধিকবার মামলা হামলার শিকার হয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :