1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার ইউনিট প্রধান হলেন শহিদুল ইসলাম রাণীনগর ইউএনও রাকিবুল হাসানের বদলির আদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড়, বদলি বাতিলের দাবি আত্রাই তরুণীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গুরুতর আহত অবস্থায় রামেকে ভর্তি নিজ অর্থায়নে দুই উপজেলায় দুইটি পুলিশ বক্স নির্মাণের উদ্বোধন করলেন এমপি শেখ মো. রেজাউল ইসলাম জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের শ্রদ্ধা নিবেদন নওগাঁয় গৃহবধূকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওয়ার্ড জামায়াত নেতা গ্রেফতার মনিয়ারী ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এস এম ফারুক বখতের প্রচারণা সাভার পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে ড্রেনেজ সংস্কারে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম দেশজুড়ে ফুটবলের নতুন উন্মাদনা: আকিজ পাইপস নিয়ে এলো ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ দল করেছি জীবন বাজি রেখে, আজ আমিই নাকি মাদক সম্রাট!” সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন হালিম বাবু

নিজ দলের নেতাদের হিংসা ও কোন্দলে দল ছাড়ছেন ত্যাগী কর্মীরা: রিফাত হাসান

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

আত্রাই প্রতিনিধি:আওয়ামীলীগের দীর্ঘ শাসনামলে মামলা, হামলা, গ্রেফতার ও নানামুখী নির্যাতনের মধ্যেও যারা রাজপথে থেকে দলের জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাদের অনেকেই এখন নিজ দলের কিছু নেতার হিংসা, প্রতিহিংসা ও অবমূল্যায়নের কারণে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন নওগাঁ জেলার অন্তর্গত আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিফাত হাসান।

সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, “আ.লীগের অত্যাচারে কোনো নেতা দল ছাড়েনি। কিন্তু আজ নিজ দলের কিছু নেতার হিংসা, গ্রুপিং ও ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতির কারণে অসংখ্য ত্যাগী, নিবেদিত ও সাহসী কর্মী দল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক এবং দলের জন্য অশনিসংকেত।”

সেই সাথে তিনি প্রতিবেদককে মুঠোফোনে অভিমান করে বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং বারবার ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থাকা কর্মীদের মূল্যায়ন না করে অনেক ক্ষেত্রে সুবিধাবাদী ও হঠাৎ আগত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

রিফাত হাসান আরও বলেন, “একটি রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে বড় শক্তি তার তৃণমূলের কর্মীরা। কিন্তু যখন সেই কর্মীরাই অবহেলা, ষড়যন্ত্র ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার হন, তখন সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির পথও সংকুচিত হয়ে যায়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন, তাদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দল থেকে ত্যাগী কর্মীদের সরে যাওয়ার প্রবণতা আরও বাড়বে, যা সংগঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হবে।”

দলের বৃহত্তর স্বার্থে অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও হিংসার রাজনীতি পরিহার করে ঐক্য, সহমর্মিতা এবং ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান এই ছাত্রদল নেতা।

তিনি নিজেও আ.লীগ দ্বারা একাধিকবার মামলা হামলার শিকার হয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :