1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আত্রাইয়ে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল বৃদ্ধের আত্রাইয়ে গাঁজা-ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক আত্রাইয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়, গুরুত্ব পেল মাদক-বাল্যবিবাহ-সাইবার অপরাধ আসন্ন ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে হাটবাজারে গণসংযোগে বিএনপি নেতা হামিদুল হক বাবু’র আত্রাই ২১০ পিস নেশাদ্রব্য টাপেন্টাডলসহ এক নারী আটক গ্যাসের দাবিতে সাভারে তিতাস অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভে করেছে ব্যাংক টাউনবাস গত আগস্টে আত্রাইয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ৪ নারীর মৃত্যু, এক মাসেই চার আত্মহত্যা নিয়ে উদ্বেগ আত্রাইয়ে রাস্তা নিয়ে বিরোধ, নারীসহ দুজনকে মারধরের অভিযোগ- সমাধানের আশ্বাস ইউএনওর আত্রাইয়ে মৎস্য ও পশুখাদ্যের দোকানে অভিযানে অর্থদণ্ড শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে জাবি স্কুল-কলেজ, অতিরিক্ত ফি সমন্বয়ের আশ্বাস

আত্রাই প্রতিবেশীদের রোষানলে অসহায় বাণুর পানিবন্দি জীবন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম বিশেষ প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার জামগ্রাম গ্রামের বাণুর জীবন যেন পানির সঙ্গেই মিশে গেছে। বছরের প্রায় ছয় মাস পানিতে ডুবে থাকে তার ঘরবাড়ি। স্বামীহারা বাণু দুই সন্তানকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই পানিবন্দি জীবন কাটিয়ে আসছেন। চরম দুর্ভোগের মধ্যেও তার কোনো অভিযোগ নেই। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবেশীদের রোষানল ও পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণে বাণুর এই দুর্ভোগ আরও প্রকট হয়েছে।

বর্ষা এলেই বাণুর বাড়ির চারপাশে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে বসতঘর, আঙিনা ও চলাচলের পথ পানিতে ডুবে থাকে। দুই সন্তানকে নিয়ে প্রতিদিনই তাকে পোহাতে হয় নানা দুর্ভোগ।

স্থানীয়দের দাবি, পানি নিষ্কাশনের পথ স্বাভাবিক থাকলে বাণুর বাড়িতে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কথা নয়। কিন্তু প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ও রোষানলের কারণে পানি চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অসহায় এই নারীকে বছরের পর বছর পানিবন্দি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

জামগ্রাম গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেন, “বাণু স্বামীহারা একজন অসহায় নারী। দুই সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে তার সংসার চলে। বছরের অর্ধেক সময় তার বাড়িঘর পানিতে ডুবে থাকে। প্রতিবেশীদের বিরোধের কারণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ঠিকমতো না থাকায় তার দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “একজন অসহায় নারীর সঙ্গে এমন আচরণ কাম্য নয়। পানি নিষ্কাশনের পথ খুলে দেওয়া হলে তার কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের পাশাপাশি প্রশাসনেরও নজর দেওয়া প্রয়োজন।”

তবে এত কষ্টের মধ্যেও বাণুর কোনো অভিযোগ নেই। সন্তানদের নিয়ে কোনোভাবে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান তিনি। তার ভাষায়, “কষ্ট তো আছেই। আল্লাহ যেভাবে রেখেছেন, সেভাবেই আছি। সন্তান দুটিকে নিয়ে কোনোভাবে জীবনটা পার করে দিতে চাই।”

বাণুর এই পানিবন্দি জীবন যেন অসহায়ত্বের এক নির্মম চিত্র। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রতিবেশীদের বিরোধের অবসান ঘটিয়ে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ নিশ্চিত করা হবে এবং প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :