নিজস্ব প্রতিবেদক:সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সৈকত আহমেদ ফারহান নামে এক যুবক। নিজেকে ছাত্রদল ও জিয়া সাইবার ফোর্স উল্লাপাড়া শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্প্রতি এক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা সাইফুল ইসলাম মিলনকে হুমকি ও মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে আসছেন তিনি। সর্বশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি হুমকির অডিও ভাইরাল হলে পুরো এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে সাইফুল ইসলাম মিলনকে হুমকি দিতে শোনা যাচ্ছে। যদিও অডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই কুরুচিপূর্ণ ও উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেন সৈকত আহমেদ ফারহান। সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের আচরণ যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্যই অশনিসংকেত।
একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ক্ষমতা দেখানো রাজনীতি নয়। এসব কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ দ্রুত সাংগঠনিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য সময় থাকতে লাগাম টেনে না ধরলে কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি পুরো দলের সুনাম নষ্ট করবে।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত সৈকত আহমেদ ফারহানের বক্তব্য মোবাইলে পাওয়া যায়নি।
উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজের ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক রুবায়েত ইসলাম রেকাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেন ,
বন্ধু বন্ধু মারামারি নিয়ে যারা দলীয় ট্যাগ দিয়ে রাজনৈতিক দলকে ব্যবহার করার চেস্টা করছেন এটা সঠিক নয় এট আওয়ামী লীগের রাজনীতি, এই বিষয়ের সাথে কলেজ ছাত্রদলের কেউ জড়িত নয়
তাদের ব্যক্তিগত ঝামেলা ছিল ,তাই সকল মব সৃষ্টি বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই।এবং কলেজ ছাত্রদল এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে যারা মব সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তারুজ্জামান বলেন, আমি বাহিরে থাকায় লিখিত অভিযোগ হাতে পাইনি। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
Leave a Reply