হুমায়ুন কবির:
এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এইউবি)-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শুরু হয়েছে দুই মাসব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি। রোববার সকালে আশুলিয়ায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক এবং উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শাহজাহান খান।
উদ্বোধনের পর শান্তির প্রতীক কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, গ্রাম ও নগর পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৬ সালে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে। আজ সেই প্রতিষ্ঠান গৌরবের সঙ্গে ৩০ বছরে পদার্পণ করেছে, যা নিঃসন্দেহে দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
অনুষ্ঠানে তিন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয় এইউবি ফাউন্ডার অ্যাওয়ার্ড,২০২৬। শিক্ষা নেতৃত্ব, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, সাংবাদিকতা ও মিডিয়া নেতৃত্বের জন্য দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান এবং বাংলা সাহিত্য ও একাডেমিক গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এ সম্মাননা লাভ করেন।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন এইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান এবং বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অসাধারণ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তিনি দুপুরে সাভারে অনুষ্ঠিত এইউবির ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ইংলিশ অলিম্পিয়াড, কুইজ কম্পিটিশন, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, আন্তর্জাতিক সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফুড ফেস্টিভ্যাল, বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ফ্যামেলি ডে’র আয়োজন করা হয়েছে।
Leave a Reply