1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
সাভারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন হোসেন নাসির গ্রেফতার সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাভারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছে শেখ সোলায়মানের নতুন গান ‘মানব জীবন’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে নওগাঁয় যুবদলের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ডেঙ্গু প্রতিরোধে নওগাঁয় যুবদলের কর্মসূচি, আহ্বানে রুহুল আমিন মুক্তা আত্রাই জমকালো আয়োজনে মেহেদী খেলাঘরের দ্বিতীয় আউটলেট উদ্বোধন সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জুলাই যোদ্বা তমিজ উদ্দিনকে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা পিয়ন থেকে কোটি টাকার সাম্রাজ্য: জলিলের সম্পদের উৎস নিয়ে শত প্রশ্ন

কাশিমপুরে জাসদ নেতার ‘ত্রাসের রাজত্ব’: অটোরিকশা চালক থেকে কোটিপতি, নেপথ্যে ইনু ও এসপি হারুনের আশীর্বাদ!

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫


নিজস্ব প্রতিবেদক
: গাজীপুরের কাশিমপুর মেট্রো এলাকায় যেন এক ‘মধ্যযুগীয় শাসন’ কায়েম করেছেন জাসদ নেতা মো. প্রধানিয়া। অভাবের তাড়নায় শরীয়তপুর থেকে এসে একসময় চালাতেন অটোরিকশা, কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতার পরশপাথরে আজ তিনি কোটি টাকার মালিক। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ঘনিষ্ঠতা এবং বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন-অর-রশীদের ‘সোর্স’ পরিচয়ে এলাকায় গড়ে তুলেছেন এক ভয়ঙ্কর ত্রাসের রাজত্ব। সরকারের পটপরিবর্তন হলেও এই নেতার দম্ভ কমেনি; এখনো বীরদর্পে থানায় দালালি ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের মরহুম আহমদ প্রধানিয়ার ছেলে এই জাসদ নেতা একসময় ছিলেন নিঃস্ব। গাজীপুরে এসে অটোরিকশা চালানো শুরু করলেও দ্রুতই জড়িয়ে পড়েন অপরাধ জগতে। গড়ে তোলেন শক্তিশালী ‘অটোরিকশা চোরচক্র’। কাশিমপুর থানায় তার বিরুদ্ধে অটোরিকশা চুরির মামলাও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা। কিন্তু জাসদের দলীয় পদ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের সাথে সখ্যতার কারণে তাকে কেউ দমাতে পারেনি।
সাংবাদিকতার আড়ালে অপকর্ম:

শিক্ষাগত যোগ্যতার বালাই নেই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনবার পরীক্ষা দিয়েও পাস করতে পারেননি এসএসসি। অথচ নিজের সকল অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচতে গায়ে জড়িয়েছেন ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ের তকমা। এলাকাবাসীর দাবি, মূলত চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজি জায়েজ করতেই তিনি এই মহান পেশাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন।

কাশিমপুর মহানগর জাসদের সভাপতি পদটি ব্যবহার করে তিনি ফুটপাত, স্ট্যান্ড ও স্থানীয় কল-কারখানায় একছত্র চাঁদাবাজি চালিয়েছেন দীর্ঘ সময়। তৎকালীন এসপি হারুনের সোর্স হওয়ার সুবাদে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা ছিল তার নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। ভয়ে সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পেত না।

৫ই আগস্টের পর অনেক রাঘববোয়াল আত্মগোপনে থাকলেও এই জাসদ নেতা এখনো বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। থানায় তার দালালি ও দাপট দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন— এত অভিযোগ ও মামলা থাকার পরও কেন এই ‘ডেভিল’কে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না?

এ বিষয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, দেশব্যাপী ‘ডেভিল হান্ট’ বা অপরাধী বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, তার রাজনৈতিক বা পেশাগত পরিচয় তাকে রক্ষা করতে পারবে না। দ্রুতই তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অসহায় মানুষের দাবি, এই তথাকথিত জাসদ নেতা ও চোরচক্রের হোতাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কাশিমপুরের শান্তি ফিরিয়ে আনা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :