1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
দখল-দূষণে বিপর্যস্ত আত্রাই নদী—কথিত সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ আত্রাই শুরু হলো হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ আত্রাইয়ে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী তাণ্ডব—ধান কেটে লুট, চাঁদা দাবি; মামলার ২ নম্বর আসামী গ্রেফতার রিহ্যাবের নতুন সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক এসএসসি ২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রেরণা জোগাতে উপকরণ বিতরণ: চকপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সিসিটিভিতে ধরা বেপরোয়া কাণ্ড: মাদকাসক্ত সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের চড়ে অপমানিত নকল নবিশ মিজান আত্রাই মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই মদসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই মিথ্যা অপবাদে অবৈধ সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ আদায়,ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ রাণীনগরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বরখাস্ত সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের দুর্নীতির সাম্রাজ্য ফাঁস; সিন্ডিকেট, ঘুষ আর জাল দলিল—সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড়

দখল-দূষণে বিপর্যস্ত আত্রাই নদী—কথিত সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:এক- সময়ের প্রমত্ত ও প্রাণবন্ত আত্রাই নদী আজ দখল ও দূষণের নির্মম কবলে পড়ে তার স্বাভাবিক জৌলুস হারাতে বসেছে। নদীর তীর ও ভেতরের অংশ দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা, ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য—যার ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে নদীর তীর দখল করে দোকানপাট, গুদাম ও বসতঘর নির্মাণ করছে। এসব কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে আইনবহির্ভূত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বরং অভিযোগ উঠেছে, উপজেলায় কর্মরত কিছু কথিত সাংবাদিককে ‘ম্যানেজ’ করে এই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ না পায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “নদী রক্ষা তো দূরের কথা, উল্টো দখলদারদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। কিছু সাংবাদিক নিজেদের দায়িত্ব ভুলে গিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে নীরব থাকছেন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নদী দখল ও দূষণ সরাসরি বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত) এবং নদী রক্ষা কমিশন আইন, ২০১৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব আইনে নদী দখল, ভরাট কিংবা দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তদুপরি, সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করাও ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

অভিযোগ রয়েছে, রাতের অন্ধকারে কিংবা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ফলে একদিকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তবে স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের আশ্বাস তারা বহুবার শুনেছেন, কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে নদী দখলমুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের নামে অপতৎপরতায় লিপ্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আত্রাই নদীকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি—অন্যথায় অদূর ভবিষ্যতে এই নদী শুধুই মানচিত্রে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদ ও স্থানীয় জনগণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :