1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আত্রাই উপজেলাসহ দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মো. নাহিদুল ইসলাম বিপ্লব আত্রাইয়ে একই স্থানে বারবার ছিনতাই-ডাকাতি, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ধামসোনা ইউনিয়নে সেবার অন্য নাম আবুল কালাম আজাদ, মানবিক কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ এলাকাবাসী কাস্টমস কর্মকর্তার বহনকারী সিএনজির গতিরোধ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ,মামলা দায়েরের প্রস্তুতি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে কাশিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেফ রোড ফাইটার সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ি আটকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সহায়তায় রক্ষা এলজিইডি ময়মনসিংহ সমাচার নির্বাহী প্রকৌশলী সালমান রহমান গিলে খাচ্ছে এলজিইডি রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ির গতিরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার আত্রাই মাদকের বিরুদ্ধে এমপি রেজুর জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরদিনই ৩৫০ পিচ এম্পুল ইনজেকশন সহ আটক-০১

আত্রাই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ–যুবলীগের মিছিল, নীরব তথাকথিত খেচুড়ি প্রেমী সাংবাদিকরা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

মো. শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি:মহান বিজয় দিবস—যে দিনটি জাতির আত্মত্যাগ, রক্ত ও গৌরবের স্মারক—সেই পবিত্র দিনে আত্রাই উপজেলায় ঘটেছে এক ভয়ংকর ও ন্যক্কারজনক তামাশা। বিজয় দিবসের খিচুড়ির প্যাকেট গিলতে গিলতে দায়িত্ব ভুলে গেছেন এক শ্রেণির তথাকথিত সাংবাদিক। ফলাফল—প্রকাশ্য দিবালোকে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ। অথচ সংবাদ? নেই। প্রতিবাদ? নেই। বিবেক? সেটাও নেই!

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৭টার দিকে আত্রাই উপজেলার ০৮ নং হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের বান্দাইখাড়া ব্রিজ এলাকায় বিজয় দিবসকে ঢাল বানিয়ে মিছিল বের করে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, রাষ্ট্রের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই মিছিল চললেও তথাকথিত সাংবাদিকদের কলম তখন খিচুড়ির প্যাকেটেই ডুবে ছিল।

এই বেআইনি মিছিলে নেতৃত্ব দেয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি আবুহেনা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহাদী মসনদ স্বরূপ এবং মোহাম্মাদ আলী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাত্রলীগেরই একজন নেতা—অর্থাৎ ঘটনাটি গোপন নয়, বরং সবার চোখের সামনেই সংঘটিত।

প্রশ্ন হচ্ছে—এত বড় রাষ্ট্রবিরোধী ও আইনবিরোধী ঘটনা ঘটার পরও আত্রাইয়ের কথাকথিত আওয়ামীপন্থি সাংবাদিকরা চুপ কেন? তারা কি সাংবাদিক, নাকি খিচুড়ি ভক্ষণকারী সুবিধাভোগী দালাল? একেকজন যে একাধিক খিচুড়ির প্যাকেট নিয়েছেন—এ অভিযোগ এখন ওপেন সিক্রেট।

আরও ভয়ংকর অভিযোগ হলো, এই মিছিলের নেপথ্যে হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুকের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে—এমন ধারণা এখন জনমনে জোরালো। যদি তাই হয়, তবে এটি শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, বরং বিজয় দিবসের চেতনাকে প্রকাশ্যে পদদলিত করার শামিল।

জনসাধারণের স্পষ্ট দাবি—এই বেআইনি মিছিলের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার নামে যারা খিচুড়ির বিনিময়ে নীরব থেকেছেন, তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে। কারণ, বিবেকহীন সাংবাদিকতা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য দালাল রাজনীতির চেয়েও ভয়ংকর।আবার অনেকেই বলছেন, আত্রাই উপজেলার তথাকথিত সাংবাদিকরা আওয়ামী রাজনীতির সাথে নিবিড় ভাবে জড়িত তাদের ভেতর বেশির ভাগই আওয়ামী রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতাকর্মী।যার কারনে বিষয়টি তারা এড়িয়ে গিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :