1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আত্রাই নদীর তীরে বেদে পল্লীতে ঝড়ে প্রাণহানি—শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ, সহায়তার আশ্বাস প্রশাসনের আদালতের ‘অস্পষ্ট’ রায়কে ঢাল বানিয়ে পদোন্নতি ওহাব গ্রুপের সুবিধা, সরকারের ক্ষতি প্রায় ৫ কোটি টাকা মাদকবিরোধী অবস্থানের জেরে বিএনপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে জব্বার – আজাদ ও এমারত সম্মিলিত পরিষদ পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নাটকীয় অভিযানে গ্রেফতার টিকা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশুর মৃত্যু—আত্রাইয়ে চাঞ্চল্য, প্রশ্নের মুখে টিকাদান কার্যক্রম ভুট্টা ক্ষেতে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা: কোলা গ্রামে চাঞ্চল্য, গ্রাম্য সালিশে মীমাংসা নওগাঁয় এক রাতেই পরিবারের সকল সদস্যদের জা’বাই করে হ’ত্যা ভুট্টা ক্ষেতে আপত্তিকর অবস্থায় পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা,গ্রামবাসীর চাঞ্চল্যকর তথ্য আবাদপুকুর হাটে যানজট নিরসনে ইউএনও’র উদ্যোগ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে স্বস্তি ফিরল জনজীবনে

আত্রাই ‘গণধর্ষণ’ অভিযোগে রহস্য—মেডিকেল পরীক্ষার আগেই ভুক্তভোগীর পলায়ন, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম বিশেষ প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া বরদাপাড়া এলাকায় এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।তবে অভিযোগের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে দেখা দিয়েছে গুরুতর অসঙ্গতি, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও ক্ষোভ দুটোই বাড়ছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে মোছাঃ হাফিজা (৩৫), পিতা মো. দেলু, বাড়ি বান্দাইখাড়া—তিনি পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক বরদাপাড়া এলাকার একটি ইটভাটার পাশে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযানে নেমে আতিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়, যা পুরো ঘটনাকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কথিত ভুক্তভোগী হাফিজা ঘটনার পর পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে রাতেই নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, মেডিকেল পরীক্ষার বিষয়টি সামনে আসতেই তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে হাসপাতাল থেকে গা-ঢাকা দিয়ে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ আরও বিস্ফোরক। তাদের দাবি, ওই নারী পূর্ব থেকেই মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানির সঙ্গে জড়িত। শুধু তাই নয়, তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য—এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলেই মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়।

ঘটনার এই অস্পষ্ট ও বিতর্কিত প্রেক্ষাপটে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই এটিকে পরিকল্পিতভাবে কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন।

তবে পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :