1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদল! ক্ষমতা বদলেই ‘রঙ বদলের’ অভিযোগে এ.আর অনিককে ঘিরে তোলপাড় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মাত্র ১২ দিনে আত্রাইয়ে তিন মরদেহ উদ্ধার: আতঙ্কে জনপদ, বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ৩য় বিকেএসপি কাপ জিমন্যাস্টিকসে চ্যাম্পিয়ন বিকেএসপি সাংবাদিকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে আইজেএফের বিবৃতি, ক্ষমা চাওয়ার দাবি আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতার ফাঁদে নিঃস্ব তিন্নি: ২ সংসার ধ্বংসের পর টাকা-সোনা লুটে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা সেলিম মিরপুর আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা থেকে শুরু করে নানা অভিযোগ; গ্রেফতারের দাবি সচেতন মহলের আত্রাই-রাণীনগর মহাসড়কে মোটরসাইকেল ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ,তিন ডাকাত গ্রেফতার;পলাতক আরও পাঁচজন সাভারে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা; স্বর্ণের চেইন ও টাকা লুট পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁ সদর থানার অভিযানে চুরির রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেফতার ১

আদালতের ‘অস্পষ্ট’ রায়কে ঢাল বানিয়ে পদোন্নতি ওহাব গ্রুপের সুবিধা, সরকারের ক্ষতি প্রায় ৫ কোটি টাকা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর ২৪ জন কর্মচারীর পদোন্নতি নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রশ্নবিদ্ধ আদালতের রায়কে ভিত্তি করে সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও সরকারের কোষাগার থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা গচ্চা গেছে।

সূত্র জানায়, এলজিইডির ২৪ জন কর্মচারী তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিয়মিত করার দাবিতে হাইকোর্টে রিট (নং ৮৪৩১/২০১১) দায়ের করেন। মামলার প্রথম শুনানি হয় ২৬ জুলাই ২০১২ এবং দ্বিতীয় ও শেষ শুনানি ১৬ অক্টোবর ২০১২। তবে রায়ের তারিখ দেখানো হয়েছে ১৫ অক্টোবর ২০১২—যা শুনানির আগের দিন। এই তারিখগত অসঙ্গতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রায়টি কতটা সঠিক বা প্রভাবিত—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, রিটকারীদের মধ্যে অনেকেই সার্ভেয়ার, কার্যসহকারী ও স্টোরকিপার পদে কর্মরত ছিলেন। ইতোমধ্যে কয়েকজন অবসর নিয়েছেন, কেউ মারা গেছেন। বর্তমানে সক্রিয় রয়েছেন ১২ জন, যাদের নেতৃত্বে ছিলেন প্রয়াত আব্দুল ওহাব। এই ‘ওহাব গ্রুপ’-এর সদস্যদেরই বিতর্কিতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

রায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিয়মিত করার নির্দেশ ছিল। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায়, অন্তত ১১ জনের চাকরি শুরু থেকেই রাজস্ব খাতে ছিল। ফলে এই পদোন্নতির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৬ জন প্রধান প্রকৌশলী দায়িত্ব পালন করলেও কেউ এই রায় বাস্তবায়ন করেননি। তবে ২০২৫ সালের শুরু থেকে ওহাব গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী জাবেদ করিম এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করেন।

সরকারি বিধি অনুযায়ী, রুটিন দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারেন না। কিন্তু সেই বিধি উপেক্ষা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও জানা গেছে, রায়ে কোথাও সিলেকশন গ্রেড বা টাইমস্কেল দেওয়ার নির্দেশ না থাকলেও ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ বছরের বকেয়া সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে প্রত্যেকে প্রায় ৪০-৪৫ লাখ টাকা করে পেয়েছেন, যার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা।

সূত্র দাবি করেছে, এই সুবিধা পেতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে এক কোটি টাকা প্রধান প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে এবং বাকি ৫০ লাখ টাকা প্রশাসনিক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে একাধিক প্রধান প্রকৌশলীর সময় এ প্রক্রিয়া থেমে গেলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়। এতে জড়িতদের মধ্যে প্রশাসন শাখার কয়েকজন কর্মকর্তার নামও এসেছে বলে জানা গেছে।

অভিজ্ঞ মহল বলছে, আদালতের রায়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকা সত্ত্বেও তা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বিপুল অঙ্কের অর্থ উত্তোলন গুরুতর অনিয়ম। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :