1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আত্রাই মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই মদসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই মিথ্যা অপবাদে অবৈধ সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ আদায়,ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ রাণীনগরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বরখাস্ত সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের দুর্নীতির সাম্রাজ্য ফাঁস; সিন্ডিকেট, ঘুষ আর জাল দলিল—সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় আত্রাইয়ে হত্যা মামলার বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি: জামিন বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাণীনগর ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এসএম রেজাউল ইসলাম রেজু রাণীনগরে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন সাভারে কোটি টাকার হেরোইনসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হৃদয় র‍্যাবের জালে বন্দি আত্রাই’বাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন আ.লীগ নেতা এ্যাড. নাহিদুল ইসলাম বিপ্লব

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আয়নাবাজি,ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় চাকুরী

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:চাচা-চাচিকে পিতা-মাতা সাজিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে কামাল হোসেন নামে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কামাল হোসেন বর্তমানে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে আজ (বৃহস্পতিবার) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।অভিযুক্ত, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩৫ ব্যাচের কর্মকর্তা কামাল হোসেন বর্তমানে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি সুকৌশলে তার প্রকৃত পিতা-মাতার পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনের নাম ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

তবে তার প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুন মুক্তিযোদ্ধ নন জানিয়ে এজাহারে আরও বলা হয় ইতোপূর্বে এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পৃথকভাবে তদন্ত করে অভিযোগে সত্যতা পাওয়া যায়। মামলা তদন্তে মো. কামাল হোসনের ডিএনএ টেস্টেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট একটি অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে এবং পরে হয়তো দুদকে জমা দিয়েছিল। ওই অভিযোগের বিপরীতে মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিয়েছি। শুনানিতেও অংশ নিয়েছি। আমার কোনো জাল নথিপত্র নেই। তারপরও কেন মামলা হলো সেটা আমারও প্রশ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :