1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আমার স্কুল ক্রীড়া চক্র ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন পলাশবাড়ী উদয়ন সংঘ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের নেতৃত্বে সাভারে মহাসড়ক ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান সাভারে সন্ত্রাসী হামলায় বাক প্রতিবন্ধী যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাভারে ছাত্রদলের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ আশুলিয়ায় স্বামীর টাকা পয়সা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও গৃহবধূ খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন আত্রাই আওয়ামী এমপির ছত্রছায়ায় আঙুল ফুলে কলাগাছ ওহিদুর-জলিল: অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আশুলিয়ায় এসআই আনোয়ারের ‘লকাপ বাণিজ্য’: ৪০ হাজার টাকায় মিললো মুক্তি!

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, আশুলিয়া:পুলিশের পোশাক আর পদের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার এক নিকৃষ্ট অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন পিপিএম-এর বিরুদ্ধে। কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্যারেজ মালিক ও এক বৃদ্ধকে থানায় আটকে রেখে ‘রফা’ করার মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোদ পুলিশ কর্মকর্তার মুখেই স্বীকারোক্তি— “আমি মাত্র ৫ হাজার পেয়েছি!”

​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভাদাইল এলাকার গ্যারেজ মালিক সুজন মিয়া ও রিকশা চালকের পিতা গফুর মিয়াকে ‘চোরাই রিকশা’র অজুহাতে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যান এসআই আনোয়ার। ভুক্তভোগীদের দাবি, চার ঘণ্টা লকাপে আটকে রেখে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
​সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, অভিযুক্ত এসআই আনোয়ার ঘটনার সত্যতা পরোক্ষভাবে স্বীকার করে খোশগল্পে জানান, লকাপে নয় বরং নারী ও শিশু ডেস্কে তাদের রাখা হয়েছিল এবং লেনদেন হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। নিজের ভাগ ৫ হাজার টাকা বলেও জানান তিনি। একজন পিপিএম পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুখে এমন ‘ঘুষের ভাগাভাগি’র গল্পে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে আশুলিয়া থানার অফিসাস ইনচার্জ (ওসি) মো. রুবেল হাওলাদার দায়সারা ভাবে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন তদন্তের পরিবর্তে অভিযুক্তের সাথেই কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। সচেতন মহল বলছে, রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, তখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

বিষয়টি সম্পর্কে জানার জমা অভিযুক্ত এসআইকে একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :