1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আবাদপুকুর হাটে যানজট নিরসনে ইউএনও’র উদ্যোগ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে স্বস্তি ফিরল জনজীবনে আত্রাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ভটভটি চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু দখল-দূষণে বিপর্যস্ত আত্রাই নদী—কথিত সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ আত্রাই শুরু হলো হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ আত্রাইয়ে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী তাণ্ডব—ধান কেটে লুট, চাঁদা দাবি; মামলার ২ নম্বর আসামী গ্রেফতার রিহ্যাবের নতুন সভাপতি ড. মো. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক এসএসসি ২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রেরণা জোগাতে উপকরণ বিতরণ: চকপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সিসিটিভিতে ধরা বেপরোয়া কাণ্ড: মাদকাসক্ত সাভার সাব-রেজিস্ট্রারের চড়ে অপমানিত নকল নবিশ মিজান আত্রাই মাদকবিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই মদসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আত্রাই মিথ্যা অপবাদে অবৈধ সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ আদায়,ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ

আশুলিয়ায় এসআই আনোয়ারের ‘লকাপ বাণিজ্য’: ৪০ হাজার টাকায় মিললো মুক্তি!

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, আশুলিয়া:পুলিশের পোশাক আর পদের প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার এক নিকৃষ্ট অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন পিপিএম-এর বিরুদ্ধে। কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্যারেজ মালিক ও এক বৃদ্ধকে থানায় আটকে রেখে ‘রফা’ করার মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোদ পুলিশ কর্মকর্তার মুখেই স্বীকারোক্তি— “আমি মাত্র ৫ হাজার পেয়েছি!”

​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভাদাইল এলাকার গ্যারেজ মালিক সুজন মিয়া ও রিকশা চালকের পিতা গফুর মিয়াকে ‘চোরাই রিকশা’র অজুহাতে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যান এসআই আনোয়ার। ভুক্তভোগীদের দাবি, চার ঘণ্টা লকাপে আটকে রেখে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
​সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, অভিযুক্ত এসআই আনোয়ার ঘটনার সত্যতা পরোক্ষভাবে স্বীকার করে খোশগল্পে জানান, লকাপে নয় বরং নারী ও শিশু ডেস্কে তাদের রাখা হয়েছিল এবং লেনদেন হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। নিজের ভাগ ৫ হাজার টাকা বলেও জানান তিনি। একজন পিপিএম পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুখে এমন ‘ঘুষের ভাগাভাগি’র গল্পে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে আশুলিয়া থানার অফিসাস ইনচার্জ (ওসি) মো. রুবেল হাওলাদার দায়সারা ভাবে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন তদন্তের পরিবর্তে অভিযুক্তের সাথেই কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। সচেতন মহল বলছে, রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, তখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

বিষয়টি সম্পর্কে জানার জমা অভিযুক্ত এসআইকে একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :