1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
ধামসোনা ইউনিয়নে সেবার অন্য নাম আবুল কালাম আজাদ, মানবিক কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ এলাকাবাসী কাস্টমস কর্মকর্তার বহনকারী সিএনজির গতিরোধ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ,মামলা দায়েরের প্রস্তুতি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে কাশিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেফ রোড ফাইটার সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ি আটকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সহায়তায় রক্ষা এলজিইডি ময়মনসিংহ সমাচার নির্বাহী প্রকৌশলী সালমান রহমান গিলে খাচ্ছে এলজিইডি রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ির গতিরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার আত্রাই মাদকের বিরুদ্ধে এমপি রেজুর জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরদিনই ৩৫০ পিচ এম্পুল ইনজেকশন সহ আটক-০১ মুকসুদপুরে ছাত্রলীগ নেতা নেওয়াজ গ্রেফতার: রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি পরিবারের নওগাঁ সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমে গতি আনতে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আত্রাইয়ে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি—ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় বিদ্যুৎ সেবার চরম দুর্ভোগে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলে আসা এই সমস্যা যেন দিন দিন আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। হালকা মেঘ, সামান্য বৃষ্টি কিংবা একটু তীব্র রোদ পড়লেই আত্রাই উপজেলার ৩৩ কেভি লাইনে দেখা দেয় নানাবিধ ত্রুটি, আর এরই ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে বাধ্য হন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষায়, “এ যেন বিদ্যুতের না, ভেলকিবাজির খেলা!” দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যা চললেও এর স্থায়ী কোনো সমাধান চোখে পড়েনি। সরকার বদলেছে, জনপ্রতিনিধি বদলেছে, নতুন নতুন নেতার আবির্ভাব ঘটেছে—কিন্তু আত্রাইবাসীর দুর্ভোগ যেন থেকে গেছে একই জায়গায়।

এলাকাবাসীর ক্ষোভ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। তারা বলছেন, “বিদ্যুৎ আমাদের মৌলিক চাহিদার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ আমরা প্রতিদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকি—কখন বিদ্যুৎ থাকবে, আর কখন থাকবে না, তার কোনো ঠিক নেই। এটা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।”

শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারে বসে থাকতে হয়, অনেকেই ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে পড়াশোনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমরা কি তাহলে পিছিয়ে পড়ার জন্যই জন্মেছি?”

অন্যদিকে কৃষকরাও পড়েছেন বিপাকে। সঠিক সময়ে সেচ দিতে না পারায় ফসলের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এক কৃষক বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকলে সেচ মেশিন চালানো যায় না। ফলে জমি শুকিয়ে যায়, ফসল নষ্ট হয়। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ব্যাপকভাবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিদ্যুতের অভাবে দোকানপাট, মিল-কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে পুরো উপজেলায়।

এ বিষয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। বরং প্রতিবারই আশ্বাসের বাণী শোনা গেলেও বাস্তবতার চিত্র একই রয়ে গেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত আত্রাই উপজেলার ৩৩ কেভি লাইনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান করতে হবে। প্রয়োজন হলে নতুন লাইন স্থাপন, ট্রান্সফরমার উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

আত্রাইবাসীর প্রশ্ন—“কবে শেষ হবে এই বিদ্যুতের ভেলকিবাজি? আর কতদিন অন্ধকারে ডুবে থাকবে আমাদের জনপদ?”

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :