1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আমার স্কুল ক্রীড়া চক্র ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন পলাশবাড়ী উদয়ন সংঘ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের নেতৃত্বে সাভারে মহাসড়ক ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান সাভারে সন্ত্রাসী হামলায় বাক প্রতিবন্ধী যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাভারে ছাত্রদলের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ আশুলিয়ায় স্বামীর টাকা পয়সা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও গৃহবধূ খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন আত্রাই আওয়ামী এমপির ছত্রছায়ায় আঙুল ফুলে কলাগাছ ওহিদুর-জলিল: অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আত্রাই অপ্রাপ্ত বয়সে ০৩ জনের চাকুরীতে যোগদান, এখন নানা অনিয়মে লিপ্ত তারা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

মোঃ সোহেল রানা,জেলা (নওগাঁ)প্রতিনিধি:নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার শ্রীধরগুড়নই দাখিল মাদ্রাসা যেন দুর্নীতির এক অভয়ারণ্য। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সুপার ও ম্যানেজিং কমিটির সহযোগিতায় চলছে অর্থ হরি লুটের মহোৎসব। শিক্ষার্থী অভিভাবকরা জানান, মাদ্রাসাটিতে ঠিকমতো পাঠদান হয় না। নামমাত্র ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি। কিছুদিন আগে ১৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত ৫০০০/- টাকা করে সরকারি অনুদান আসে। সেই টাকা শিক্ষার্থীদের না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম, ও সহকারি মৌলভী মোঃ আব্দুল জব্বার তালবাহানা করতে থাকে।

বিষয়টি জানতে পেরে অভিভাবকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে অবহিত করলে তার হস্তক্ষেপে পরবর্তীতে ৪০০০ করে টাকা শিক্ষার্থীদের দেয় এবং অভিভাবকদের বলে কেউ জিজ্ঞেস করলে ৫০০০/টাকা পেয়েছি বলার জন্য। প্রতিষ্ঠানটিতে ফসলি জমি ও তিনটি বড় আকারের পুকুর রয়েছে যেখান থেকে প্রতিবছর পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা আসে। কিন্তু সেই টাকা প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার না করে ম্যানেজিং কমিটি ও ভারপ্রাপ্ত সুপার এর পকেটে চলে যায়। শুধু তাই নয় প্রতিষ্ঠানটির গাছপালা, ঘরের লোহা লক্কর ও চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রতিষ্ঠানটিতে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকায় কৌশলে জেডিসি ও দাখিল পরীক্ষায় ভাড়া করে শিক্ষার্থী এনে পরীক্ষা দেওয়ানো হয়। সরে জমিনে তদন্তে গিয়ে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম জন্ম:০১ জানুয়ারি ১৯৬৯ যোগদান: ০১ জানুয়ারি ১৯৮৪। সহকারী মৌলভী মোঃ আব্দুল জব্বার জন্ম: ০২ মার্চ ১৯৬৬ যোগদান:০১ ফেব্রুয়ারি১৯৮১। সহকারী মৌলভী এ এইচ এম খোশবর রহমান জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ১৯৬৯ । যোগদান: ২৬ এপ্রিল ১৯৮৪। তদন্ত করে দেখা গেছে এই তিনজন ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সে চাকুরীতে যোগদান করে। এবং এরা ১১ থেকে ১২ বছর বয়সে দাখিল পাস করে। এলাকার জনগণের প্রশ্ন কিভাবে কেউ ১২ বছরে দাখিল পাস এবং ১৪ বছর বয়সে চাকুরীতে যোগদান করতে পারে।

এলাকাবাসীর দাবি এই দুর্নীতিবাজদের জনসম্মুক্ষে হাজির করে কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হোক। শিক্ষার্থী অভিভাবকের দাবি প্রতিষ্ঠানটির হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ খুবই দরকার। এদের লাগামহীন দুর্নীতি বন্ধ করা সময়ের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :