1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :

আত্রাই ইয়াবাসহ দুইজন আটক: প্রশিকার ম্যানেজারকে ছেড়ে দিয়ে একজনের বিরুদ্ধে মামলা, জনমনে প্রশ্ন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মো. শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি :
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করার ঘটনায় একজনকে ছেড়ে দেওয়া এবং অন্যজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এসআই শাহজুল ইসলাম বলেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে আত্রাই থানা উপজেলার রসুলপুর এলাকার এবাদ চেয়ারম্যানের ইটভাটা সংলগ্ন স্থান থেকে মো. রায়হান কবির (৩২) ও তার সঙ্গে থাকা আব্দুল লতিফ (ম্যানেজার, প্রশিকা এনজিও—আত্রাই শাখা)- পরিচয়দানকারীকে আটক করি। এ সময় রায়হান কবিরের কাছ থেকে ৬১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এসআই শাহজালাল আরও জানান, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লতিফকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং রায়হান কবির কে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।পরবর্তীতো তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনাটি নিয়ে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল করিম বলেন,“গণপরিবহন বা কোনো যানবাহনে তল্লাশি চালানোর সময় যার কাছ থেকে অবৈধ দ্রব্য পাওয়া যায় তাকেই গ্রেফতার করা হয়। পাশের আসনে বসা ব্যক্তি অপরাধী—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।”কিন্তু মামলার এজাহার সূত্র বলছে, অন্যকথা।এজাহারে উল্লেখ রয়েছে ইটভাটা সংলগ্নে স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আটক করা হয়।

এদিকে, প্রশিকা এনজিও’র আত্রাই শাখার ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আব্দুল লতিফ মুঠোফোনে জানান,“রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে আমি ও রায়হান ভাই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে ১০-১৫ জন পুলিশ এসে আমাদের আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পত্রিকার খবর পড়ে জানতে পারি, রায়হান ভাইয়ের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।”

তবে একই সঙ্গে আটক হওয়ার পরও একজনকে ছেড়ে দেওয়া এবং অন্যজনকে মামলায় জড়ানো নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।এর পূর্বে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ রয়েছে।কয়েকমাস পূর্বে ম্যানেজার আব্দুল লতিফ কে ইয়াবা সেবনের সময় উপজেলার সাহেবগঞ্জ এলাকার যুবক আটক করেছিল।পরবর্তীতে তিনি ভুল শিকার করে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি পান তাদের হাত থেকে।

এমনকি কয়েকটি সূত্রের দাবি, কনস্টেবল জাকিরের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকার রফাদফার বিনিময়ে লতিফকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে—যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি ঘিরে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

তবে প্রশিকা অফিস সূত্র বলছে অন্যকথা,আব্দুল আমাদের মাঠকর্মী।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :