1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
আত্রাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগ নেতাদের নিয়ে কেক কর্তন,প্রশ্নের মুখে ইউএনও-ওসি ও বিএনপি নেতারা আত্রাইয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, ৫৪ প্রতিষ্ঠানে অকৃতকার্য ৯৫০ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে সাভারে ২৮ লাখ টাকা ও ২২ ভরি সোনা চুরি; ঘটনাস্থলে ওসি, মালামাল উদ্ধারের আশ্বাস জুলাই নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য: শিক্ষিকা মুক্তি রাণীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ আত্রাই জানালা দিয়ে যুবকের শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৌদির রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে আত্রাইয়ের ১৩ প্রবাসী নিহত, পরিবারের খোঁজ নিতে ছুটে গেলেন ইউএনও মনিরুজ্জামান জুলাই নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য: শিক্ষিকা মুক্তি রাণীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ইউএনওর সড়ক যোদ্ধা সম্মাননা-২০২৬ পেলেন জি এম খসরুজ্জামান মিন্টু আত্রাই শিক্ষিকার ফেসবুক মন্তব্য ঘিরে আলোচনা, জুলাই নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ

আত্রাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগ নেতাদের নিয়ে কেক কর্তন,প্রশ্নের মুখে ইউএনও-ওসি ও বিএনপি নেতারা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি: দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে (১২ আগস্ট) আত্রাইয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামীলীগের নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার উপস্থিতি ঘিরে উঠেছে আরও বড় প্রশ্ন বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন আয়োজনে তাদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম এবং থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল চকলেট সহ প্রমুখ।

তবে অনুষ্ঠানের অতিথিদের তালিকায় আওয়ামী লীগের নেতাদের উপস্থিতিই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। সেখানে হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক এবং পাঁচপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ফরিদুল ইসলাম পিন্টিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর সময়ে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে প্রশাসন ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি সাধারণ মানুষের কাছে কী বার্তা দিচ্ছে? একজন ইউএনও ও একজন থানার ওসির মতো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া উচিত কি না এ নিয়েও চলছে আলোচনা।

অন্যদিকে, অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন দৈনিক করতোয়া পত্রিকার আত্রাই উপজেলা প্রতিনিধি মো. মুজাহিদ ইসলাম। স্থানীয় পর্যায়ে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে তার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন যদি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ধারণা তৈরি করে, তাহলে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সবার প্রতি সমান আচরণ করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু একই মঞ্চে বা একই আয়োজনে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অবস্থান ও ভূমিকা স্পষ্ট থাকা জরুরি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন এটি কি নিছক একটি পেশাগত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল, নাকি এর আড়ালে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনো বার্তা দেওয়া হয়েছে? আর যদি এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানই হয়ে থাকে, তাহলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সক্রিয় পদধারী নেতাদের উপস্থিতি এবং প্রশাসন-পুলিশের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের ব্যাখ্যাই বা কী?

এ বিষয়ে বার বার চেষ্টা করেও ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান বলেন,এটি একটি স্বনামধন্য দৈনিক পত্রিকার ৫১ তম বর্ষে পদার্পনের আনুষ্ঠানিকতা ছিল। যেকোন জাতীয় পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সরকারদলীয় রাজনীতিবিদদের নিয়ে কেক কাটা সহ পত্রিকার সাফল্য কামনা করে আলোচনা করা হয়ে থাকে।এক্ষেত্রে ও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

তবে বিগত শাসনামলে অন্যান্য সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এর ন্যায় সাংবাদিকতায় ব্যপক দলীয়করণ করা হয়েছে।তারপরেও বলবো সাংবাদিক কোন দলের হতে পারে না।তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকা উচিত।আয়োজন হিসেবে করতোয়া পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি আত্রাই উপজেলার সকল সদস্যকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।যার প্রেক্ষিতে সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের কোন পদে কোন সাংবাদিক ছিল কিনা আমার জানা নাই। উল্লেখিত ব্যক্তিগণ প্রেসক্লাবের সদস্য এবং সংবাদকর্মী হিসেবে উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন।

তবে ওসি মাহবুব আলমের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও পুলিশের নিরপেক্ষতা শুধু বাস্তবে নয়, জনসাধারণের চোখেও দৃশ্যমান হওয়া জরুরি। তাই এমন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, কারা উপস্থিত এবং কোন পরিচয়ে উপস্থিত এসব বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :