1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
সাভারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল আশুলিয়ায় জমি দখলের চেষ্টায় ঘর ভাঙচুর, গাছ কাটার অভিযোগ খুলনায় সারের ডিলার নিয়োগে ভয়াবহ জালিয়াতির চেষ্টা; অভিযোগের আঙুল জেলা প্রশাসকের দিকে সাভারে এসআই আলতাব হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুন গ্রেপ্তার সাভারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন হোসেন নাসির গ্রেফতার সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাভারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসছে শেখ সোলায়মানের নতুন গান ‘মানব জীবন’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে নওগাঁয় যুবদলের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জুলাই নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য: শিক্ষিকা মুক্তি রাণীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

মো. শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি:জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথিত অশ্লীল ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাটকালুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আলোচিত শিক্ষিকা মুক্তি রাণীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। নোটিশের জবাব দিতে তাকে তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা অফিস।

আত্রাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাযহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষিকা মুক্তি রাণীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তাকে তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ০৫ আগস্ট পালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লাইভ চলাকালীন সময় শিক্ষিকা মুক্তি রাণীর একটি অশ্লীল মন্তব্য করেন যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ওই মন্তব্যকে অশ্লীল ও আপত্তিকর দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার কাছ থেকে দায়িত্বশীল ও শালীন আচরণ প্রত্যাশিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করার আগে তার সামাজিক ও পেশাগত অবস্থানের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত ছিল। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, জুলাই আন্দোলন দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ নিয়ে মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের নিজস্ব অবস্থান থাকতে পারে; তবে কোনো সরকারি কর্মচারীর কাছ থেকে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ বা উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রাজনৈতিক ও সচেতন মহলের কয়েকজন আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য সহজেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের মন্তব্যের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও সংযত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন শিক্ষিকা মুক্তি রাণীর দেওয়া ব্যাখ্যার ওপরই পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ অনেকটা নির্ভর করছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তার জবাব পাওয়ার পর শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :