1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
কাস্টমস কর্মকর্তার বহনকারী সিএনজির গতিরোধ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ,মামলা দায়েরের প্রস্তুতি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে কাশিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সেফ রোড ফাইটার সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ি আটকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনের সহায়তায় রক্ষা এলজিইডি ময়মনসিংহ সমাচার নির্বাহী প্রকৌশলী সালমান রহমান গিলে খাচ্ছে এলজিইডি রাণীনগরে কাস্টমস কর্মকর্তার গাড়ির গতিরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার আত্রাই মাদকের বিরুদ্ধে এমপি রেজুর জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরদিনই ৩৫০ পিচ এম্পুল ইনজেকশন সহ আটক-০১ মুকসুদপুরে ছাত্রলীগ নেতা নেওয়াজ গ্রেফতার: রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি পরিবারের নওগাঁ সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত কার্যক্রমে গতি আনতে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ের দমদত্তবাড়ী গ্রামের জলিল: দিনমজুর থেকে শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক, জনমনে প্রশ্নের ঝড়

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় চাকুরী

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মো. শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:চাচা-চাচিকে পিতা-মাতা সাজিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে কামাল হোসেন নামে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কামাল হোসেন বর্তমানে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে আজ (বৃহস্পতিবার) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।অভিযুক্ত, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩৫ ব্যাচের কর্মকর্তা কামাল হোসেন বর্তমানে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি সুকৌশলে তার প্রকৃত পিতা-মাতার পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনের নাম ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

তবে তার প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুন মুক্তিযোদ্ধ নন জানিয়ে এজাহারে আরও বলা হয় ইতোপূর্বে এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পৃথকভাবে তদন্ত করে অভিযোগে সত্যতা পাওয়া যায়। মামলা তদন্তে মো. কামাল হোসনের ডিএনএ টেস্টেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট একটি অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে এবং পরে হয়তো দুদকে জমা দিয়েছিল। ওই অভিযোগের বিপরীতে মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিয়েছি। শুনানিতেও অংশ নিয়েছি। আমার কোনো জাল নথিপত্র নেই। তারপরও কেন মামলা হলো সেটা আমারও প্রশ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :