1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
হিলি প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি গোলাম রাব্বানী,সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সংকট অনেক তবুও ৩১ দফার আলোকে সফলতার ট্র্যাকেই তারেক রহমানের সরকার ; পারভেজ মোহাম্মদ চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার, দুদকের মামলায় কারাগারে কামাল আত্রাই জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতা,বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ আত্রাই ২০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক আত্রাই উপজেলাবাসীর আস্থার ঠিকানা “ইউএনও” মো. মনিরুজ্জামান সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগ, মেয়াদোত্তীর্ণ চুক্তিতে ২১ মাস ধরে পদে কর্মকর্তা সাভারের কলমায় দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালন সাভার ফ্যামিলি কার্ডের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নাম, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন আত্রাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পোনা মাছ অবমুক্ত

সংকট অনেক তবুও ৩১ দফার আলোকে সফলতার ট্র্যাকেই তারেক রহমানের সরকার ; পারভেজ মোহাম্মদ

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

নতুন দিগন্ত ডেস্ক
একটি দেশের উন্নয়নের জন্য তিনটি ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দ্বিতীয়ত, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং তৃতীয়ত, বিশ্বায়নের যুগে বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি। এই তিনটি বিষয় আবার একে অন্যের পরিপূরক। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে যেমন অর্থনীতিতে গতি আসে না, তেমনি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বর্তমান বিশ্বে কোনো দেশই একা টিকে থাকতে পারে না। প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলে জরুরি প্রয়োজনে সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব। আবার অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হলে বন্ধুও কমে যায়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বা পররাষ্ট্রনীতি সঠিক পথে পরিচালিত করতে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা জরুরি। তিনটি ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমেই একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে। দেশের অগ্রগতির এই সূত্রকে অনেকটা জ্যামিতির ত্রিভুজের সঙ্গে তুলনা করা হয়। ত্রিভুজের তিন বাহু সমান না হলে যেমন সমবাহু ত্রিভুজ হয় না, ঠিক তেমনি অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও পররাষ্ট্রনীতি সমানভাবে কাজ না করলে রাষ্ট্র সঠিকভাবে পরিচালিত হয় না। আর এই ত্রিভুজ সমান্তরাল করার দায়িত্ব হলো রাজনীতির। সুশাসন, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক সমঝোতা ছাড়া ত্রিভুজতত্ত্ব অচল। রাজনীতি সঠিক না হলে কিছুই ঠিক হয় না। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে এক ধ্বংসস্তূপের মধ্যে। এ অবস্থায় যেকোনো নতুন সরকারের দিশাহারা হওয়ার কথা। কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দিশাহারা নয়, বরং সংকটের গভীরতা অনুভব করেছে শুরু থেকেই। শান্ত, ধীরস্থিরভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার চেষ্টা করছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হলো, সরকার যদি আন্তরিক হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। সরকার সেই পথেই হাঁটছে। গত ছয় মাসে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, তারা বাস্তবতাকে অস্বীকার করছে না। জনগণের কাছে লুকোচুরি করছে না। মিথ্যা আশ্বাস  দিচ্ছে না।প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরছে, তাই প্রচণ্ড কষ্টও মানুষ মেনে নিচ্ছে। জনগণ ধৈর্যধারণ করছে। বর্তমান সরকারের আরেকটি ভালো দিক হলো, সংকট নিরসনে তারা চটজলদি তাড়াহুড়া করে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। ধীরেসুস্থে সঠিক সমাধানের পথ খুঁজছে।গত ছয় মাসে বিএনপি বেশ কিছু দৃশ্যমান সাফল্য অর্জন করেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিএনপি সরকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। মব সন্ত্রাস পুরোপুরি বন্ধ না হলেও অনেক কমেছে। এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে যাঁদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং মব সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সবকিছু মিলিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তিনি বন্ধ কলকারখানা চালু করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। তাদের সমস্যার কথা শুনছেন। সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেন।বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইরান যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যায়। সরকার আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই ইউনূস সরকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন বন্ধ করে রেখেছিল। গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করার জন্য সরকার পার্শ্ববর্তী দেশের সহায়তা চেয়েছে। এ ছাড়া সরকার একদিকে যেমন জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় বিকল্প চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী মন্তব্য করেন, জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর উদ্দেশ্য হিসেবে তিনি জ্বালানি খাতের ভর্তুকির চাপ কমানো এবং বাজারে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলেন। এটা করতে পারলে তা হবে সরকারের একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির চাপে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী। আর এ কারণেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক মন্দায় গরিব জনগোষ্ঠী সুরক্ষা পাবে।এদিকে ক্ষমতায় আসার ছয় মাস পেরিয়ে গেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সময়ে সরকারের কাজের মূল্যায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে- দলটির ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা কতটা বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। কারণ ৩১ দফা শুধু নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি নয়, বরং সংবিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন, প্রশাসন ও নাগরিক অধিকারকে নতুন কাঠামোয় সাজানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা।সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদকে সামনে রেখে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাঁচ মাস পূর্তিতেও সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের আস্থা, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষাকে বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরা হয়।বিএনপি নেতারা বলছেন, সরকার গঠনের পর বিগত ৬ মাসে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে সরকার সফলতার ট্র্যাকেই আছে। নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ফ্যাসিবাদী আমলের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, প্রশাসনের অনিয়ম, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনে গতি ফেরানোয় জোর দিয়ে নতুন করে রাষ্ট্রসংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ ৮০ শতাংশ হয়েছে। নেতাদের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  রাজনৈতিকভাবে সফল হয়েছেন। তিনি পরাজিত শক্তির প্রতি সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার শপথ নেওয়ার প্রথম দিন সংসদীয় সভায় ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, তা হচ্ছে- সরকারিভাবে সংসদ সদস্যরা কোনো জমি এবং শুক্লমুক্ত গাড়ি নেবেন না, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রথম বিদেশ সফর করেছেন মুসলিম দেশ মালয়শিয়ায়। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ চীন সফর করেছেন। দুটি দেশ সফরেই বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চীন-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক ১৩ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এই সফরেই মালয়েশিয়া জনশক্তি রফতানির জট খুলেছে। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই স্বাস্থ্য কার্ড ও প্রবাসী কার্ড চালু হবে। খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, ৬ মাসের দেওয়া টার্গেটের প্রায় শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। গুমের শিকার পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য সরকারিভাবে তালিকা প্রণয়ন ও স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রণয়ন ও জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংস্কার করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে অধিক গুরুত্ব দিয়ে নানা কার্যক্রম নেওয়া এবং বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তৈরি পোশাক শিল্প বিকাশে সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যুব উন্নয়নে স্বাবলম্বী করে তোলা পদক্ষেপ, রাজধানীসহ সব শহরের যানজট নিরসনে এআই ট্রাফিক পদ্ধতি চালু ও রাজধানীর আন্তঃবাস টার্মিনাল স্থানান্তর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন পে-স্কেল খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে, যা অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে। বন্ধ অলাভজনক রাষ্ট্রীয় শিল্প-কলকারখানা চালু ও বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া শুরু, আকস্মিক বন্যা মোকাবিলা প্রধানমন্ত্রী ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়া এবং বন্যা পূর্বাভাসের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।সরকারি-বেসরকারি সব অফিসে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সৌর বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগের সরকারের সময়কার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দায়মুক্তি আইন বাতিল করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হয়ে উঠেছে- দলটির ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা কতটা বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। কারণ ৩১ দফা শুধু নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি নয়, বরং সংবিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন, প্রশাসন ও নাগরিক অধিকারকে নতুন কাঠামোয় সাজানোর একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা।বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিএনপি সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
রাজনৈতিক সংস্কার বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায়কে গুরুত্ব না দেওয়ায় রাজনৈতিক সংকট তৈরির একটা শঙ্কাও দেখছেন বিশ্লেষকরা।তবে সরকারের দাবি, বিএনপি সরকারের ছয় মাসের যে লক্ষ্যমাত্রা যা ছিল তা মোটামুটি শতভাগের কাছাকাছি অর্জিত হয়েছে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :