1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
পরকীয়ার অভিযোগে স্বামীর মৃত্যুর দাবি, গ্রাম্য সালিশে ৪০ হাজার টাকা জরিমানায় মুক্তি আত্রাইয়ে মোবাইল কোর্টে মাদক সেবনের দায়ে ৫ জনের কারাদণ্ড সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আত্রাইয়ের ৭ জনসহ মোট ৯ জনের মরদেহ আসছে আগামীকাল নতুন কুঁড়িতে সফল আত্রাইয়ের কিশোরদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, সনদপত্র প্রদান আত্রাই প্রতিবেশীদের রোষানলে অসহায় বাণুর পানিবন্দি জীবন হিলি প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি গোলাম রাব্বানী,সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সংকট অনেক তবুও ৩১ দফার আলোকে সফলতার ট্র্যাকেই তারেক রহমানের সরকার ; পারভেজ মোহাম্মদ চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার, দুদকের মামলায় কারাগারে কামাল আত্রাই জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতা,বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ আত্রাই ২০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক আটক

আত্রাইয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার জগদাশ এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কেন্দ্র করে সংঘটিত একটি গুরুতর ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ, ক্ষোভ এবং নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনুপমা (১৩) জগদাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার পিতা শ্রী অসিত, আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত হিসেবে মো. আক্তার হোসেন (৫০)-এর নাম উঠে এসেছে। তিনি মৃত জবু উদ্দিনের পুত্র এবং আত্রাই উপজেলার পাটিকাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়ভাবে তিনি জগদাশ বাজারে একটি মুদির ও স্টেশনারি দোকানের মালিক হিসেবে পরিচিত।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে বিষয়টি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য গোলাম, জগদাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, সহকারী শিক্ষক মো. আবুল হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক মো. মোফাজ্জলের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, উল্লিখিত ব্যক্তিরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের ওপর প্রভাব বিস্তার করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পিতা শ্রী অসিত মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিষয়টি জগদাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্যের নেতৃত্বে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার করা হয়েছে।

তবে অভিযোগে নাম আসা ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সচেতন নাগরিক, অভিভাবক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এমন সংবেদনশীল অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রভাব, আপস বা ধামাচাপার সুযোগ না রেখে স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিঃদ্রঃ ছবিতে অভিযুক্ত আক্তার হোসেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :