1. ssexpressit@gmail.com : admin :
  2. dailynatundiganto@gmail.com : Homayon Kabir : Homayon Kabir
সর্বশেষ :
ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন, পাকিস্তানে ১১ বাংলাদেশিকে রেখে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগ নিয়ামতপুরের ড্রিপ সেচ পদ্ধতিতে চাষাবাদের উপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শোকাবহ ১৫ আগস্ট উপলক্ষে রাণীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন আত্রাইয়ের প্রয়োজনীয় রাস্তাগুলো পরিদর্শন করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ইউএনও’র আত্রাই আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত আত্রাই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আ.লীগ নেতাদের নিয়ে কেক কর্তন,প্রশ্নের মুখে ইউএনও-ওসি ও বিএনপি নেতারা আত্রাইয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, ৫৪ প্রতিষ্ঠানে অকৃতকার্য ৯৫০ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে সাভারে ২৮ লাখ টাকা ও ২২ ভরি সোনা চুরি; ঘটনাস্থলে ওসি, মালামাল উদ্ধারের আশ্বাস জুলাই নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য: শিক্ষিকা মুক্তি রাণীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন, পাকিস্তানে ১১ বাংলাদেশিকে রেখে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:ইউরোপে বৈধভাবে চাকরি ও অভিবাসনের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১১ বাংলাদেশির কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা নেওয়ার পর তাদের পাকিস্তানে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিক ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে তাদের পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে ঘোরানো হলেও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানে রেখে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ইউরোপে চাকরি ও বৈধভাবে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর তাদের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয় এবং একপর্যায়ে পাসপোর্টসহ ভ্রমণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পাকিস্তানে ফেলে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে খন্দকার মাসুদ পারভেজের নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তিনি এফ জি ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের অফিস ৮১, জোয়ার সাহারা, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯ এলাকায় বলে জানা গেছে। অভিযোগে তার দুটি মোবাইল নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগে আরও খালেদ আহমেদ নামে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার এক ব্যক্তির নাম রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও প্রতারণার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, ইউরোপে বৈধভাবে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে তারা নিজেদের সঞ্চয়, জমিজমা বিক্রি ও ধারদেনা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে বর্তমানে তারা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, অনেকেই ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, বিদেশে আটকে থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :